অন্য কোন মাসের সাথে রমজানের তেমন কোন পার্থক্য নাই!! রমজান মাসে সাওম বা রোজা পালন করতে হয়, এটাই পার্থক্য, ব্যাস! রোজা পালন করা মানে সুবহে সাদিক থেকে মাগরীব পর্যন্ত পান-আহার ও যাবতিয় কাজ যা আমাদের ইন্দ্রিয় পরিতৃপ্তির জন্য করে থাকি তা করা যাবে না। সময়টা আরো সহজ ভাবে চিন্তা করলে সেহেরি থেকে ইফতার, এই টুকুই।
আপনি চাইলে ইফতারের পরে বা সেহেরির আগে অবশ্যই সেক্স করতে পারবেন বা সকল ধরনের যৌন আচরন আপনার স্বামীর সাথে করতে পারবেন। এতে কোন বাধা নাই। কিন্তু সেহেরি থেকে ইফতারের মাঝা-মাঝি সময়ে কোন ভাবেই কোন রকম যৌন কর্ম করা বৈধ বা হালাল হবে না।
তবে ওলামাদের মতে চুমাদেয়া (ঠোঁটে), কাডলিং, হাগিং এগুলো রোজারাখা অবস্থায় করা যাবে কারন এগুলো সুন্নাহ বিরোধী নয়। কিন্তু একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে, এক্সট্রিম যৌনতার প্রথম ধাপ কিন্তু অনেক সময় এগুলোই। আবার একটা নির্দিষ্ট মাত্রার ক্ষুধা যৌনতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই কিসিং কাডলিং হাগিং এগুলো করলেও খুব সতর্কতার সাথে করতে হবে। এমন পর্যায় কিছুই করা যাবে না যে অর্গাজম হয়ে যায়, এমন কি যৌনাঙ্গ থেকে যৌন রসগুলো বের হওয়া শুরু হয়ে যায়। তবে অবশ্যই আমি আপনাদের সুন্নাহ থেকে দূরে থাকতে বলছি না। যত স্বল্প সময়ে করা যায় ততই ভালো।
আর একটা ব্যাপার খেয়াল করতে হবে, ইফতারের ঠিক পর পর যখন অনেক ভরা পেটে থাকেন, তখন যৌনতা থেকে বিরত থাকাই ভালো। কিন্তু যদি আপনি সব সময়েই সুন্নত মেনে অল্প খেয়ে থাকেন তবে কথা ভিন্ন। ভালো হয় যদি ঘুমানোর আগে স্বামীকে তৃপ্তি দিতে পারেন অথবা সেহেরীতে উঠবার আগে। তবে ঐ দিনের সাওম শুরু হবার পূর্বেই কিন্তু ফরজ গোসল করে নিতে হবে।
আর একটা কথা, ইসলামের একটা নিয়ম হচ্ছে স্বামী যখনই চাবে, আপনার তখনই সঙ্গমে সাড়া দিতেই হবে, আপনি ইচ্ছা করুন আর নাই করুন, এর পিছনের হিকমত আল্লাহর। কিন্তু রমজানের সময় সাওম পালনরত অবস্থায় এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ আপনি রোজা আছেন কিন্তু আপনার স্বামী আপনাকে যৌনতার জন্য ডাকল, আপনি তখন অনায়েসে না বলবেন, এতে কোন গুনাহ নেই। কিন্তু সামান্য আদর করার জন্য ডাকলে আপনার সাড়া দিতেই হবে। আর যদি মনে করেন এতে আপনি উত্তজিত হয়ে যান, আপনার কামরস বের হওয়া শুরু হয়ে যায়, তাহলে স্বামীকে বুঝিয়ে বলুন।
রমজানে ওজন কমানোর চেষ্টা করুন! সুস্থ্য থাকুন! সুস্থ্যতা হচ্ছে সুন্দর যৌন জীবনের শুরু।
আপনি চাইলে ইফতারের পরে বা সেহেরির আগে অবশ্যই সেক্স করতে পারবেন বা সকল ধরনের যৌন আচরন আপনার স্বামীর সাথে করতে পারবেন। এতে কোন বাধা নাই। কিন্তু সেহেরি থেকে ইফতারের মাঝা-মাঝি সময়ে কোন ভাবেই কোন রকম যৌন কর্ম করা বৈধ বা হালাল হবে না।
তবে ওলামাদের মতে চুমাদেয়া (ঠোঁটে), কাডলিং, হাগিং এগুলো রোজারাখা অবস্থায় করা যাবে কারন এগুলো সুন্নাহ বিরোধী নয়। কিন্তু একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে, এক্সট্রিম যৌনতার প্রথম ধাপ কিন্তু অনেক সময় এগুলোই। আবার একটা নির্দিষ্ট মাত্রার ক্ষুধা যৌনতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই কিসিং কাডলিং হাগিং এগুলো করলেও খুব সতর্কতার সাথে করতে হবে। এমন পর্যায় কিছুই করা যাবে না যে অর্গাজম হয়ে যায়, এমন কি যৌনাঙ্গ থেকে যৌন রসগুলো বের হওয়া শুরু হয়ে যায়। তবে অবশ্যই আমি আপনাদের সুন্নাহ থেকে দূরে থাকতে বলছি না। যত স্বল্প সময়ে করা যায় ততই ভালো।
আর একটা ব্যাপার খেয়াল করতে হবে, ইফতারের ঠিক পর পর যখন অনেক ভরা পেটে থাকেন, তখন যৌনতা থেকে বিরত থাকাই ভালো। কিন্তু যদি আপনি সব সময়েই সুন্নত মেনে অল্প খেয়ে থাকেন তবে কথা ভিন্ন। ভালো হয় যদি ঘুমানোর আগে স্বামীকে তৃপ্তি দিতে পারেন অথবা সেহেরীতে উঠবার আগে। তবে ঐ দিনের সাওম শুরু হবার পূর্বেই কিন্তু ফরজ গোসল করে নিতে হবে।
আর একটা কথা, ইসলামের একটা নিয়ম হচ্ছে স্বামী যখনই চাবে, আপনার তখনই সঙ্গমে সাড়া দিতেই হবে, আপনি ইচ্ছা করুন আর নাই করুন, এর পিছনের হিকমত আল্লাহর। কিন্তু রমজানের সময় সাওম পালনরত অবস্থায় এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ আপনি রোজা আছেন কিন্তু আপনার স্বামী আপনাকে যৌনতার জন্য ডাকল, আপনি তখন অনায়েসে না বলবেন, এতে কোন গুনাহ নেই। কিন্তু সামান্য আদর করার জন্য ডাকলে আপনার সাড়া দিতেই হবে। আর যদি মনে করেন এতে আপনি উত্তজিত হয়ে যান, আপনার কামরস বের হওয়া শুরু হয়ে যায়, তাহলে স্বামীকে বুঝিয়ে বলুন।
রমজানে ওজন কমানোর চেষ্টা করুন! সুস্থ্য থাকুন! সুস্থ্যতা হচ্ছে সুন্দর যৌন জীবনের শুরু।