আমর কাছে মনে হয় স্বামী-স্ত্রীর যৌন সম্পর্কে প্রধান ও প্রকট একটা সমস্যা হল মৌনতা। অর্থাৎ নীরব থাকা, মানে আপনার চাহিদা গুলো আপনার সঙ্গিনী বা সঙ্গিকে না জানানো বা কখনো জানাতে না পারা। আপনি হয়ত ভাবেন যে আপনার চাহিদা গুলো খুবই অনুচিত বা আপনার চাহিদা গুলো সঙ্গত নয়। কিন্তু এটা নিতান্তই আপনার ভুল ধারনা। কারন আপনার সঙ্গি বা সঙ্গিনীও হয়ত মনে মনে একই ধরনের যৌনতা কামনা করছেন কিন্তু আপনারই মত ট্যাবুর মৌনতায় আটকে গেছে।
কি দারুন হত,যদি আপনি আপনার মনের ইচ্ছাটা আপনার সাথীকে বলে দিতেন, উনিও হয়ত অবাকই হতেন যে উনিও তাই কামনা করছিলেন!! অথবা ব্যাপারটা এমনও তো হতে পারে যে আপনার যা ইচ্ছা করছে তা আপনার সাথী হয়ত কখনই কামনা করেন নাই কিন্তু ব্যাপারটা চেখে দেখতে তার কোন সমস্যাই নাই, বা উনি কিছুটা ইতস্তত থাকলেও ব্যাপারটা মেনে নিলেন এবং এতটাই উপভোগ করলেন যে উনিও একই কামনায় আসক্ত হলেন।
উদাহরন দেয়া যাকঃ জেনির ইচ্ছা করছে তার স্বামীর লিঙ্গ ও বিচিগুলো ধরে নারাচার করবে, অর্থাৎ একরকম ক্যাডলিং অর্থাৎ একটু খেলতে ইচ্ছা করছে তার ঐ জিনিশ গুলো নিয়ে। কিন্তু সে আগেও কখনো এই কথা তার স্বামীকে বলতে পারেনি, এখনও পারছেন না। এই না বলতে পারায় কি কারো লাভ হবে? বা তার এই চাহিদাটাকি খুবই অযৌক্তিক? আবার জেনির স্বামী রানার ইচ্ছা হচ্ছে যে সে জেনির সাথে এ্যানিলিঙ্গাস করবে, অর্থাৎ জেনির পায়ু দ্বার চেটে দিবে। রানার আগেও এরকম ইচ্ছা হয়েছে এখনও হচ্ছে কিন্তু জেনি কি ভাববে চিন্তা করতে করতে তার কখনোই এই ইচ্ছাটা প্রকাশ করা হয়নি!!!!
এখানে লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না বরং দুজনেই নিজেকে ও তার সাথীকে বঞ্চিত করছেন। আপনাদের মনের গভীরেও অনেক লুক্কাইত কামনা থাকতে পারে যা আপনার স্বভাব গত মৌনতায় আটকে গেছে, সামাজিক ট্যাবুর চাপে, কিন্তু ভেবে দেখবেন কি? হয়ত নিজের সঙ্গী বা সংগিনীকে বঞ্চিতই করছেন আপনি!! নিজের শোবার ঘর থেকে মৌনতাটা ঝেটিয়ে বিদায় করুন। ভালো থাকুন।
কি দারুন হত,যদি আপনি আপনার মনের ইচ্ছাটা আপনার সাথীকে বলে দিতেন, উনিও হয়ত অবাকই হতেন যে উনিও তাই কামনা করছিলেন!! অথবা ব্যাপারটা এমনও তো হতে পারে যে আপনার যা ইচ্ছা করছে তা আপনার সাথী হয়ত কখনই কামনা করেন নাই কিন্তু ব্যাপারটা চেখে দেখতে তার কোন সমস্যাই নাই, বা উনি কিছুটা ইতস্তত থাকলেও ব্যাপারটা মেনে নিলেন এবং এতটাই উপভোগ করলেন যে উনিও একই কামনায় আসক্ত হলেন।
উদাহরন দেয়া যাকঃ জেনির ইচ্ছা করছে তার স্বামীর লিঙ্গ ও বিচিগুলো ধরে নারাচার করবে, অর্থাৎ একরকম ক্যাডলিং অর্থাৎ একটু খেলতে ইচ্ছা করছে তার ঐ জিনিশ গুলো নিয়ে। কিন্তু সে আগেও কখনো এই কথা তার স্বামীকে বলতে পারেনি, এখনও পারছেন না। এই না বলতে পারায় কি কারো লাভ হবে? বা তার এই চাহিদাটাকি খুবই অযৌক্তিক? আবার জেনির স্বামী রানার ইচ্ছা হচ্ছে যে সে জেনির সাথে এ্যানিলিঙ্গাস করবে, অর্থাৎ জেনির পায়ু দ্বার চেটে দিবে। রানার আগেও এরকম ইচ্ছা হয়েছে এখনও হচ্ছে কিন্তু জেনি কি ভাববে চিন্তা করতে করতে তার কখনোই এই ইচ্ছাটা প্রকাশ করা হয়নি!!!!
এখানে লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না বরং দুজনেই নিজেকে ও তার সাথীকে বঞ্চিত করছেন। আপনাদের মনের গভীরেও অনেক লুক্কাইত কামনা থাকতে পারে যা আপনার স্বভাব গত মৌনতায় আটকে গেছে, সামাজিক ট্যাবুর চাপে, কিন্তু ভেবে দেখবেন কি? হয়ত নিজের সঙ্গী বা সংগিনীকে বঞ্চিতই করছেন আপনি!! নিজের শোবার ঘর থেকে মৌনতাটা ঝেটিয়ে বিদায় করুন। ভালো থাকুন।