সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০১৪

ওরাল সেক্স নিয়ে কি কনফিউজড??

একজন বিখ্যাত বাংলা ব্লগার , ইসলামে যৌনতার নিয়ম কানুন নিয়ে সম্প্রতি লিখেছেন, এবং তার পোষ্টে নানা আলোচনায় প্রতিয়মান হয়েছে যে, ওরাল সেক্স একটা নোংরা ব্যাপার। এবং ইসলামে এটা করাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। ওখানে অনেকেই নিজেদের পুত-পবিত্র বানানোর জন্য ব্যাপারটা সাপোর্ট করে গেছেন। কিন্তু আদৌ কি ওরাল সেক্স নোংরা?? মোটেই না। এখানে নোংরামির কোন এলিমেন্টই নাই!!

ছেলেদের সিস্ম নিতান্তই পরিষ্কার একটা জিনিশ, আর মেয়েদের যোনী যদি মুখে লাগানোর জন্য নোংরা হয়, তাহলে বলতে হবে, কিস করাও নোংরা!! আর আপনিতো যোনী চেখে দেখার জন্য পতিতালয়ে যাবেন না, আপনি যোনী লেহন করবেন আপনার স্ত্রীর! এখানে নোংরামীটা কৈ?

কোন কিছুতেই অযথা বাড়াবাড়ি ভালো না। আদৌ আপনি ওরাল সেক্স করবেন কিনা, এটা আপনার রুচির ব্যাপার। আপনারা হয়ত দুজনেই ওরাল করা পছন্দ করেন না, আর এই ভাবেই সুখি আছেন। আবার এমনও হতে পারে, শুধু যোনী লেহন করে আনন্দ দেন না বলে আপনার স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে যাচ্ছেন।

আজি জিজ্ঞাস করুন আপনার স্বামী কি পছন্দ করে, আর আপনার স্ত্রী কি পছন্দ করে।  

শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০১৪

রমজানে যৌনতার কি হবে ????

অন্য কোন মাসের সাথে রমজানের তেমন কোন পার্থক্য নাই!! রমজান মাসে সাওম বা রোজা পালন করতে হয়, এটাই পার্থক্য, ব্যাস! রোজা পালন করা মানে সুবহে সাদিক থেকে মাগরীব পর্যন্ত পান-আহার ও যাবতিয় কাজ যা আমাদের ইন্দ্রিয় পরিতৃপ্তির জন্য করে থাকি তা করা যাবে না। সময়টা আরো সহজ ভাবে চিন্তা করলে সেহেরি থেকে ইফতার, এই টুকুই।

আপনি চাইলে ইফতারের পরে বা সেহেরির আগে অবশ্যই সেক্স করতে পারবেন বা সকল ধরনের যৌন আচরন আপনার স্বামীর সাথে করতে পারবেন। এতে কোন বাধা নাই। কিন্তু সেহেরি থেকে ইফতারের মাঝা-মাঝি সময়ে কোন ভাবেই কোন রকম যৌন কর্ম করা বৈধ বা হালাল হবে না।

তবে ওলামাদের মতে চুমাদেয়া (ঠোঁটে), কাডলিং, হাগিং এগুলো রোজারাখা অবস্থায় করা যাবে কারন এগুলো সুন্নাহ বিরোধী নয়। কিন্তু একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে, এক্সট্রিম যৌনতার প্রথম ধাপ কিন্তু অনেক সময় এগুলোই। আবার একটা নির্দিষ্ট মাত্রার ক্ষুধা যৌনতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই কিসিং কাডলিং হাগিং এগুলো করলেও খুব সতর্কতার সাথে করতে হবে। এমন পর্যায় কিছুই করা যাবে না যে অর্গাজম হয়ে যায়, এমন কি যৌনাঙ্গ থেকে যৌন রসগুলো বের হওয়া শুরু হয়ে যায়। তবে অবশ্যই আমি আপনাদের সুন্নাহ থেকে দূরে থাকতে বলছি না। যত স্বল্প সময়ে করা যায় ততই ভালো।

আর একটা ব্যাপার খেয়াল করতে হবে, ইফতারের ঠিক পর পর যখন অনেক ভরা পেটে থাকেন, তখন যৌনতা থেকে বিরত থাকাই ভালো। কিন্তু যদি আপনি সব সময়েই সুন্নত মেনে অল্প খেয়ে থাকেন তবে কথা ভিন্ন। ভালো হয় যদি ঘুমানোর আগে স্বামীকে তৃপ্তি দিতে পারেন অথবা সেহেরীতে উঠবার আগে। তবে ঐ দিনের সাওম শুরু হবার পূর্বেই কিন্তু ফরজ গোসল করে নিতে হবে।

আর একটা কথা, ইসলামের একটা নিয়ম হচ্ছে স্বামী যখনই চাবে, আপনার তখনই সঙ্গমে সাড়া দিতেই হবে, আপনি ইচ্ছা করুন আর নাই করুন, এর পিছনের হিকমত আল্লাহর। কিন্তু রমজানের সময় সাওম পালনরত অবস্থায় এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ আপনি রোজা আছেন কিন্তু আপনার স্বামী আপনাকে যৌনতার জন্য ডাকল, আপনি তখন অনায়েসে না বলবেন, এতে কোন গুনাহ নেই। কিন্তু সামান্য আদর করার জন্য ডাকলে আপনার সাড়া দিতেই হবে। আর যদি মনে করেন এতে আপনি উত্তজিত হয়ে যান, আপনার কামরস বের হওয়া শুরু হয়ে যায়, তাহলে স্বামীকে বুঝিয়ে বলুন।

রমজানে ওজন কমানোর চেষ্টা করুন! সুস্থ্য থাকুন! সুস্থ্যতা হচ্ছে সুন্দর যৌন জীবনের শুরু।

          

মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

যৌনতায় স্বার্থপরতা ঠিক না ভুল ????????

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক লম্বা সময়ের ব্যাপার। এই সম্পর্ক কোন একরাতের খেলা নয়। দীর্ঘকাল একজন আরেক জনের প্রতি আকর্ষন টিকিয়ে রাখা অনেক সময় খুবই চ্যালেঞ্জিং মনে হতে পারে। কিন্তু সত্য হল শারিরিক বা স্বাস্থ্যগত কোন সমস্যা না থাকলে, একটু বিবেক, বিবেচনা আর বুদ্ধি খাটালেই যৌনতার আকর্ষন টিকিয়ে রাখা হয়ত কোন ব্যাপারই না। আর এই যৌনতায় স্বার্থপরতা আর সন্দেহের কোন স্থান নাই।

আপনার সাথীর সাথে যৌনতায় যদি আপনার স্বার্থপরতা থাকে, ক্রমেই তিনি আপনার প্রতি আকর্ষন হারাতে থাকবেন। এই আকর্ষন হারানর ব্যাপারটা হয়ত ইচ্ছাকৃত হবে না, বা কেউ খেয়ালই করবে না!! কিন্তু যৌনতাতো আর থেমে থাকবে না!! তাই তিনি তার ফ্যান্টাসির খোঁজে বিকল্প কিছু হয়ত প্রতি নিয়ত খুঁজতে থাকবেন।




এখন প্রশ্ন হতে পারে যৌনতায় স্বার্থপরতা আবার কি? ঠিক আছে একটু খুলেই বলি। যেমন ধরুন জয়া রাজিবের সাথে সঙ্গমের সময়, সব সময় রাজিবের উপরে অবস্থান নিতে চায়, কারন এতে তার ক্লাইমেক্স এ সুবিধা হয়, কোন ভাবেই জয়া চায় না রাজিব উপরে থাকুক, প্রথম প্রথম রাজিব ব্যাপারটা খুব ইনজয় করত, কিন্তু এখন সে বোর ফিল করে,তার কাছে ব্যাপারটা এক ঘেয়ে আর জয়ার স্বার্থপরতা মনে হয়। আবার রাজিবের কথাই ধরাযাক, প্রতিবার সঙ্গমের আগেই জয়াকে সে একরকম বাধ্য করে তার পুরুষাঙ্গ চেটে-চুষে দেবার জন্য, জয়ার ভালো লাগুক আর নাই লাগুক, তার কোন পরোয়া নাই!!!! যদিও জয়া সব সময় এই ব্যাপারটা ইনজয় করে না। তার মতে এটা রাজিবের স্বার্থপরতা।

আবার মিসেস জামান কখনই জামান সাহেবকে তার স্তনগুলো নিয়ে জামান সাহেবের ইচ্ছামত খেলতে দেন না। আর জামান সাহেব কখনই তার মিসেসের যোনী ও এর আশেপাশের যৌনাঙ্গ গুলো চেটে-চুষে দেন না। উভয়ের কাছেই উভয়ে ক্রমেই ভয়ানক স্বার্থপর আর বোরিং হয়ে যাচ্ছেন দিনে দিনে। যার পরিনতি ভালো নয়। উপরে বর্ননা করা উভয় দম্পতিই একে অপরকে অনেক ভালোবাসেন কিন্তু তাদের নির্দিষ্ট কিছু যৌন স্বার্থপরতার জন্য তার বর্তমানে বিপদের মুখামুখি।



এমনটা হবার নয়। স্বামী-স্ত্রীর যৌনতায় উইন উইন সিচুয়েশন থাকতে হবে। উভয়ের আকাঙ্খা পুরন হতে দিতে হবে। এমন কি উভয়ের ফেন্টাসি, ডার্ক-ফেন্টাসি সবই পুরন হতে দিতে হবে, এই যৌন সম্পর্ক আকর্ষনিয় আর গতিশীল রাখবার জন্য। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন সাথীর যৌন চাহিদা পুরন আপনার শারিরিক ক্ষতির কিছু না হয় এবং হারাম কিছু না হয়।

সব সময় নিজের ভালোটা চিন্তা করা যাবে না। প্রয়োজনে নিজের ভালোলাগা বা কখনো নিজের ক্লাইমেক্সকে বিসর্জন দিয়ে হলেও সঙ্গি বা সঙ্গিনীর চাহিদা পুরনে আন্তরিক হতে হবে। এমন কি যদি কখন কোন কিছু করতে একটু কষ্টও হয় সাথীকে খুশি রাখবার জন্য করতে হবে। শুধু নিজের ভালোলাগার কথা চিন্তা করে স্বার্থপরের মত আচরন এই সম্পর্কের জন্য ভয়ানক।          

মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০১৪

স্ত্রীর যৌনাঙ্গ - প্রথম পর্ব

এই ব্লগের লেখাগুলো ঠিক মত বুঝতে হলে যৌনাঙ্গের বিভিন্ন অংশকে চেনা খুব জরুরী। তা না হলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভ্রান্তির উৎপত্তি হতে পারে। আজ স্বামীদের ক্লাস স্ত্রীরা না পড়লেও চলবে। প্রথমেই আপনার স্ত্রীকে বিছানায় শোয়ার জন্য অনুরোধ করুন। ঘর যেন আলোকিত থাকে। এবার একটা একটা করে তার নিম্নাঙ্গের সকল বস্ত্র খুলে নিন। কাজটা অবশ্যই ধিরে ধিরে করবেন। এবার নিচের ছবিটার সাথে আপনার স্ত্রীর যৌনাঙ্গটা মিলিয়ে নিন।


এ্যনাস বা পায়ু ছাড়া বা এই ছবিতে উরুর যতটুকু অংশ দেখা যাচ্ছে তা ছাড়া বাকি যায়গাটাকে ভালবা বলা হয়ে থাকে। ভালবার সবচেয়ে উপরের স্থানটাকে মনস বলে। ক্লাইটোরিস হচ্ছে ভগ্নাঙ্গুর। ইউরেথ্রা হচ্ছে মুত্র নালি। ভেজাইনা হচ্ছে যোনী। ল্যাবিয়া মানে হচ্ছে ঠোঁট। বাংলায় ল্যাবিয়া মেজরা আর মাইনোরার আলগা কোন নাম নাই তাই এদের বড় ঠোঁট আর ছোট ঠোঁট বলতে পারেন।

আর এগুলোকে ঠোঁট ভাবাই ভালো। নাকি বলেন?? আপনারা নিশ্চই বুঝতে পারছেন আমি কি ইঙ্গিত করছি? যাই হোক পরে বিস্তারিত কথা হবে যোনী লেহন নিয়ে। কিন্তু মনে রাখতে হবে এখানে বড় ঠোঁট বাদে বাকি সকল অংশ অত্যন্ত সেনসেটিভ বা স্পর্শ কাতর!!! তাই যখনই এগুলো নিয়ে খেলবেন মনে রাখবেন একটু এদিক সেদিক হলেই মজার চেয়ে আপনার সাথী কষ্ট বেশী পাবেন!!

আজ লেসন এই টুকুই থাক। বিস্তারিত পরে। আরা আপনারা সংকচ ভেঙ্গে প্রশ্ন করা শুরু করুন। আপনাদেরই ভালো হবে।   

বুধবার, ২৮ মে, ২০১৪

সেক্স কি পরিচ্ছন্ন না এটা শুধুই নোংরামি


আমার আগের পোষ্টে এ্যনিলিঙ্গাসের কথা শুনে অনেকেই হয়ত নাকসিটকেছেন ! কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন যে, যে কাজটা করার পরে গোসল করা ফরজ হয়ে যায় তা কি করে পরিচ্ছন্ন হয় ? আসলে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ভাবে করলেও আল্টিমেটলি এই কাজটা এক ধরনের নোংরামি ! আমার এই ব্লগের উদ্দেশ্য হচ্ছে কত পরিচ্ছন্ন ভাবে এই নোংরামি গুলো করতে পারেন তার সাহায্য করা।

এবার উদাহরনের পালাঃ যেমন ধরুন একজন সুস্থ্য স্বাভাবিক মানুষ কি কখনোই কোন ভাবে অন্য আরেক জনের থুতু নিজ মুখে নিবেন? আমার ধারনা কেউ তা করবেন না!! কিন্তু দেখুন আমরা আমাদের সাথীদের চুম্বন করতে কিন্তু উৎগ্রিব থাকি সর্বদা, চুম্বনের সময় কিন্তু মুখের লালা আমাদের কোন ঘৃনার ব্যাপার হয় না! আর চুম্বন ছাড়া ভালোবাসা পুর্ন সেক্স খুব রেয়ার!! তাই বলে আমি কিন্তু কখনই বলব না আপনি নোংরা দূর্গন্ধ যুক্ত মুখে আপনার সঙ্গি বা সঙ্গিনীকে চুম্বন করুন। আমি বলব যৌনতার আগে বা যৌনতার জন্য এমন ভাবে প্রস্তুত থাকুন যেন আপনার মুখের অপরিচ্ছন্নতা বা দূর্গন্ধ আপনার সাথীর কষ্টের করন না হয়ে যায়। ঠিক একই ভাবে এ্যনিলিঙ্গাস করার জন্যও আপনার পায়ুদ্বার বা আপনার সাথীর পায়ুদ্বার পরিষ্কার থাকাই উচিৎ। নোংরা পায়ুদ্বার কোন ভাবেই ওই কাজের যোগ্য না। এমন কি নোংরা পায়ুদ্বর এ্যনাল স্টিমুলেশন পাবারও যোগ্য না।

আশা করি সকলেই পরিচ্ছন্নতার ব্যাপার গুলো বুঝেছেন। মনে রাখবেন পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ! নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। সুস্থ্য যৌন জীবন উপভোগ করুন। এ্যনাল স্টিমুলেশন, এ্যনিলিঙ্গাস, কিসিং আরো অনেক কিছু নিয়ে আরো অনেক বিস্তারিত লিখব। আপেক্ষায় থাকুন আর সাথেই থাকুন। আর শেয়ার করতে ভুলবেন না!     

শনিবার, ২৪ মে, ২০১৪

যৌনতা নিয়ে আর মৌনতা নয়

আমর কাছে মনে হয় স্বামী-স্ত্রীর যৌন সম্পর্কে প্রধান ও প্রকট একটা সমস্যা হল মৌনতা। অর্থাৎ নীরব থাকা, মানে আপনার চাহিদা গুলো আপনার সঙ্গিনী বা সঙ্গিকে না জানানো বা কখনো জানাতে না পারা। আপনি হয়ত ভাবেন যে আপনার চাহিদা গুলো খুবই অনুচিত বা আপনার চাহিদা গুলো সঙ্গত নয়। কিন্তু এটা নিতান্তই আপনার ভুল ধারনা। কারন আপনার সঙ্গি বা সঙ্গিনীও হয়ত মনে মনে একই ধরনের যৌনতা কামনা করছেন কিন্তু আপনারই মত ট্যাবুর মৌনতায় আটকে গেছে।

কি দারুন হত,যদি আপনি আপনার মনের ইচ্ছাটা আপনার সাথীকে বলে দিতেন, উনিও হয়ত অবাকই হতেন যে উনিও তাই কামনা করছিলেন!! অথবা ব্যাপারটা এমনও তো হতে পারে যে আপনার যা ইচ্ছা করছে তা আপনার সাথী হয়ত কখনই কামনা করেন নাই কিন্তু ব্যাপারটা চেখে দেখতে তার কোন সমস্যাই নাই, বা উনি কিছুটা ইতস্তত থাকলেও ব্যাপারটা মেনে নিলেন এবং এতটাই উপভোগ করলেন যে উনিও একই কামনায় আসক্ত হলেন।

উদাহরন দেয়া যাকঃ জেনির ইচ্ছা করছে তার স্বামীর লিঙ্গ ও বিচিগুলো ধরে নারাচার করবে, অর্থাৎ একরকম ক্যাডলিং অর্থাৎ একটু খেলতে ইচ্ছা করছে তার ঐ জিনিশ গুলো নিয়ে। কিন্তু সে আগেও কখনো এই কথা তার স্বামীকে বলতে পারেনি, এখনও পারছেন না। এই না বলতে পারায় কি কারো লাভ হবে? বা তার এই চাহিদাটাকি খুবই অযৌক্তিক? আবার জেনির স্বামী রানার ইচ্ছা হচ্ছে যে সে জেনির সাথে এ্যানিলিঙ্গাস করবে, অর্থাৎ জেনির পায়ু দ্বার চেটে দিবে। রানার আগেও এরকম ইচ্ছা হয়েছে এখনও হচ্ছে কিন্তু জেনি কি ভাববে চিন্তা করতে করতে তার কখনোই এই ইচ্ছাটা প্রকাশ করা হয়নি!!!!

এখানে লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না বরং দুজনেই নিজেকে ও তার সাথীকে বঞ্চিত করছেন। আপনাদের মনের গভীরেও অনেক লুক্কাইত কামনা থাকতে পারে যা আপনার স্বভাব গত মৌনতায় আটকে গেছে, সামাজিক ট্যাবুর চাপে, কিন্তু ভেবে দেখবেন কি? হয়ত নিজের সঙ্গী বা সংগিনীকে বঞ্চিতই করছেন আপনি!! নিজের শোবার ঘর থেকে মৌনতাটা ঝেটিয়ে বিদায় করুন। ভালো থাকুন।   

শুক্রবার, ২৩ মে, ২০১৪

যৌনতা ব্লগের উদ্দেশ্য

প্রথমেই সালাম নিবেন এবং শুভেচ্ছা আমার ব্লগে আসবার জন্য। ব্যাক্তিগত জিবনে আমি চিকিৎসক! এবং স্বুস্থ্য স্বাভাবিক একজন বাংলাদেশী বাঙালি। আমাদের দেশে যৌনতা মানেই ট্যাবু। ট্যাবু মানে হচ্ছে এমন কিছু যা স্বাভাবিক ভাবে সামাজিক জিবনে মানুষের কাছে পছন্দ নয়  বা স্বাভাবিক ভাবে যা নিষিদ্ধ। যাইহোক আমাদের সামাজিকতাকে সম্মান জানাই। স্বাভাবিক ভাবে বর্বররাই যৌনতা নিয়ে খোলা খুলি কথা বলবে। মর্যাদাবানরা তা করবে না। কিন্তু যৌনতা সকল বিবাহিত জীবনের বাস্তবতা। দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে আমাদের সামাজিক জীবনের প্রভাবটা এই বৈবাহিক জীবনেও থেকে যায়, অর্থাৎ অনেক বিবাহিত নারি-পুরুষ ও এই যৌনতাটাকে দুঃখজনক ভাবে ট্যাবু বানিয়ে ফেলেছেন। নিজেরা সঙ্গম ঠিকি করছেন কিন্তু এই ক্রিয়াটা হয়ে যাচ্ছে নি-রস। ফলাফল হিসাবে বাড়ছে স্বামি-স্ত্রীর দূরত্ত্ব। যৌন ফেন্টাসি বা আনন্দের জন্য বাড়ছে পরকীয়া, পর্ণ অথবা ব্লু-ফিল্ম    । অথচ স্বামি-স্ত্রীর কাছে যৌনতাটা হওয়া উচিৎ একটা আনন্দ ময় খেলার মত যা কখনো এক ঘেয়ে হবে না, যা কখনো পুরানো হবে না। সারাজীবন হানিমুন চলতেই থাকবে এমন!

শুধু দরকার আপনার যৌনতায় একটু সচেতনতা। যৌনতার নানা বিষয়ে আসলে অনেক কিছু জানবার থাকে যা কাউওকে জিজ্ঞাস করা যায় না। কিন্তু আমি নিজে ডাক্তার হওয়াতে খেয়াল করেছি, এমন কোন শ্রেণী বা পেশার মানুষ নাই, যারা যৌনতার বিভিন্ন সমস্যার কথা ডাক্তারদের জিজ্ঞাস করেন না!!! অথচ এর মধ্যে অনেক সমস্যা আসলে কোন সমস্যাই না!!! শুধু জানা আর না জানার ব্যাপার মাত্র। উন্নত বিশ্ব এই বিষয়ে, বিষয় ভিত্তিক অনেক বই পাওয়া যায় কিন্তু বাংলা ভাষায় এগুলো নেই বললেই চলে। তাই একজন ডাক্তার হিসাবে আমি নিজ সামাজিক দ্বাইত্ত্ব হিসেবে নিয়েছি আমার এই যৌনতা বিষয়ক ব্লগ লেখাকে, এর জন্য প্রয়োজনে আমি আমার স্ত্রীর সহায়তাও নিব (উনাকে বলে রেখেছে :P )  আপনি নারি হন বা পুরুষ আপনার যৌনতার বিষয়ে সাহায্য করাই আমার বা আমাদের লক্ষ্য। শুধু অনুরোধ থাকল এই ব্লগ থেকে যদি আপনি উপকৃত হন তাহলে এই ব্লগ সম্পর্কে আপনার কাছের বন্ধুদের জানান।