মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

যৌনতায় স্বার্থপরতা ঠিক না ভুল ????????

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক লম্বা সময়ের ব্যাপার। এই সম্পর্ক কোন একরাতের খেলা নয়। দীর্ঘকাল একজন আরেক জনের প্রতি আকর্ষন টিকিয়ে রাখা অনেক সময় খুবই চ্যালেঞ্জিং মনে হতে পারে। কিন্তু সত্য হল শারিরিক বা স্বাস্থ্যগত কোন সমস্যা না থাকলে, একটু বিবেক, বিবেচনা আর বুদ্ধি খাটালেই যৌনতার আকর্ষন টিকিয়ে রাখা হয়ত কোন ব্যাপারই না। আর এই যৌনতায় স্বার্থপরতা আর সন্দেহের কোন স্থান নাই।

আপনার সাথীর সাথে যৌনতায় যদি আপনার স্বার্থপরতা থাকে, ক্রমেই তিনি আপনার প্রতি আকর্ষন হারাতে থাকবেন। এই আকর্ষন হারানর ব্যাপারটা হয়ত ইচ্ছাকৃত হবে না, বা কেউ খেয়ালই করবে না!! কিন্তু যৌনতাতো আর থেমে থাকবে না!! তাই তিনি তার ফ্যান্টাসির খোঁজে বিকল্প কিছু হয়ত প্রতি নিয়ত খুঁজতে থাকবেন।




এখন প্রশ্ন হতে পারে যৌনতায় স্বার্থপরতা আবার কি? ঠিক আছে একটু খুলেই বলি। যেমন ধরুন জয়া রাজিবের সাথে সঙ্গমের সময়, সব সময় রাজিবের উপরে অবস্থান নিতে চায়, কারন এতে তার ক্লাইমেক্স এ সুবিধা হয়, কোন ভাবেই জয়া চায় না রাজিব উপরে থাকুক, প্রথম প্রথম রাজিব ব্যাপারটা খুব ইনজয় করত, কিন্তু এখন সে বোর ফিল করে,তার কাছে ব্যাপারটা এক ঘেয়ে আর জয়ার স্বার্থপরতা মনে হয়। আবার রাজিবের কথাই ধরাযাক, প্রতিবার সঙ্গমের আগেই জয়াকে সে একরকম বাধ্য করে তার পুরুষাঙ্গ চেটে-চুষে দেবার জন্য, জয়ার ভালো লাগুক আর নাই লাগুক, তার কোন পরোয়া নাই!!!! যদিও জয়া সব সময় এই ব্যাপারটা ইনজয় করে না। তার মতে এটা রাজিবের স্বার্থপরতা।

আবার মিসেস জামান কখনই জামান সাহেবকে তার স্তনগুলো নিয়ে জামান সাহেবের ইচ্ছামত খেলতে দেন না। আর জামান সাহেব কখনই তার মিসেসের যোনী ও এর আশেপাশের যৌনাঙ্গ গুলো চেটে-চুষে দেন না। উভয়ের কাছেই উভয়ে ক্রমেই ভয়ানক স্বার্থপর আর বোরিং হয়ে যাচ্ছেন দিনে দিনে। যার পরিনতি ভালো নয়। উপরে বর্ননা করা উভয় দম্পতিই একে অপরকে অনেক ভালোবাসেন কিন্তু তাদের নির্দিষ্ট কিছু যৌন স্বার্থপরতার জন্য তার বর্তমানে বিপদের মুখামুখি।



এমনটা হবার নয়। স্বামী-স্ত্রীর যৌনতায় উইন উইন সিচুয়েশন থাকতে হবে। উভয়ের আকাঙ্খা পুরন হতে দিতে হবে। এমন কি উভয়ের ফেন্টাসি, ডার্ক-ফেন্টাসি সবই পুরন হতে দিতে হবে, এই যৌন সম্পর্ক আকর্ষনিয় আর গতিশীল রাখবার জন্য। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন সাথীর যৌন চাহিদা পুরন আপনার শারিরিক ক্ষতির কিছু না হয় এবং হারাম কিছু না হয়।

সব সময় নিজের ভালোটা চিন্তা করা যাবে না। প্রয়োজনে নিজের ভালোলাগা বা কখনো নিজের ক্লাইমেক্সকে বিসর্জন দিয়ে হলেও সঙ্গি বা সঙ্গিনীর চাহিদা পুরনে আন্তরিক হতে হবে। এমন কি যদি কখন কোন কিছু করতে একটু কষ্টও হয় সাথীকে খুশি রাখবার জন্য করতে হবে। শুধু নিজের ভালোলাগার কথা চিন্তা করে স্বার্থপরের মত আচরন এই সম্পর্কের জন্য ভয়ানক।